দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চলতি ইরানি বছর শেষ হওয়ার আগেই শাহিদ সোলেইমানি স্যাটেলাইট বহরের তিনটি স্যাটেলাইট একই সঙ্গে কক্ষপথে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ইরান। দেশটির চলতি ইরানি বছর শেষ হবে ২০২৭ সালের ২১ মার্চ।
বুধবার ইরানের যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সাত্তার হাশেমি এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মহাকাশ শিল্পের উন্নয়ন সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। রাশিয়ার সহযোগিতায় একই সঙ্গে তিনটি ইরানি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকে তিনি বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন।
উৎক্ষেপণের জন্য নির্ধারিত তিনটি স্যাটেলাইট হলো পায়া, জাফর ও কাওসার। সরকারের বিভিন্ন খাত, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণে স্যাটেলাইট তিনটি তৈরি করা হয়েছে বলে জানান হাশেমি।
তিনি বলেন, ইরান স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের অবকাঠামো উন্নয়নে বেশ কয়েকটি প্রকল্প এগিয়ে নিচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময় এসব স্থাপনার কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
হাশেমি জানান, চাবাহার মহাকাশ কেন্দ্রের প্রথম ধাপের নির্মাণকাজ ৯৮ শতাংশ শেষ হয়েছে। এর আগে এই কাজের অগ্রগতি ছিল প্রায় ৪০ শতাংশ। যোগাযোগ ও দূর অনুধাবন স্যাটেলাইট কক্ষপথে পাঠানোর জন্য কেন্দ্রটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
এ ছাড়া নাহিদ-২ স্যাটেলাইট কক্ষপথে পাঠানোর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন ইরানের যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্যাটেলাইটটি প্রথমবারের মতো কু-ব্যান্ডে তৈরি করা হয়েছে। এর উন্নয়নে একজন নারী নির্বাহী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নাহিদ-২ টেলিযোগাযোগের কাজে ব্যবহার করা হবে।
হাশেমি জানান, শাহিদ সোলেইমানি স্যাটেলাইট বহরে মোট ২৪টি স্যাটেলাইট রয়েছে। এর মধ্যে ১৮টি মূল স্যাটেলাইট এবং ছয়টি অতিরিক্ত স্যাটেলাইট। চলতি বছরেই এর তিনটি স্যাটেলাইট একই সঙ্গে কক্ষপথে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বাকি স্যাটেলাইটগুলো পরবর্তী বছরগুলোতে উৎক্ষেপণ করা হবে।
/অ